সিদ্ধিরগঞ্জ সংবাদদাতা
টাকা হলে অনিয়মকেও নিয়মে পরিণত করে সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসি। টাকার কাছে মুহূর্তেই অনিয়মকে নিয়মে রুপ দেয় সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাদের একজন মিটার রিডার আনোয়ার হোসেন। যিনি টাকার বিনিময়ে সবকিছু করতে পারে। গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেয়াই তার কাজ। কয়েকদিন পূর্বে হিরাঝিল আবাসিক এলাকার লতাকুঞ্জে ৬টি মিটার লাগিয়ে আনোয়ার ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ভবনের মালিক তমিজ উদ্দিনের কাছ থেকে। জানতে চাইলে ভবন মালিক বলেন, ঘুষের টাকা না দিলে সংযোগ পাওয়া যায় না। বিভিন্ন ভাবে হয়রানীর শিকার হতে হয়।তাই বাধ্য হয়ে বাড়তি টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়েছে। এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানাযায়, আনোয়ার বিভিন্ন বাড়িতে এবং অটোরিকশার গ্যারেজে অর্থের বিনিময়ে অবৈধ সংযোগ এমনকি দোকানে বাণিজ্যিক মিটারের স্থলে আবাসিক মিটারের সংযোগও দিয়ে থাকে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোন আনোয়ার ৭০ হাজার টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, এই টাকা আমি একা খাইনি। অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিতে হয়েছে। আপনি যা পারেন লিখেন। কয়েকজন গ্রাহক জানায়, আনোয়ার মিটারের রিডিং বেশী উঠিয়ে অতিরিক্ত বিল করে হয়রানী করছে। আনোয়ারকে মাসোহারা দিলে পরের মাস থেকে আর সমস্যা হয় না। এমন অভিযোগ আনোয়ারের বিরুদ্ধে শত শত। ডিপিডিসির কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে মিটার রিডার আনোয়ার হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির এসির সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমরা অবশ্যই অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। সচেতন মহলের দাবি, আনোয়ারদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা না নিলে এরা দিনে দিনে বেপরোয়া হয়ে উঠবে। অন্যদিকে অবৈধ সংযোগের ফলে সরকার হারাবে রাজস্ব এবং গ্রাহক হয়রানী চরম পর্যায়ে পৌঁছাবে। তাই দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর আনোয়ারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।